Friday, November 30, 2018

Best Compound Bow 2019

Best Compound Bow 2019: Best Compound Bow 2019 For Target Shooting And Hunting

Best Compound Bow 2019

Best Compound Bow 2019: Best Compound Bow 2019 For Target Shooting And Hunting

Best Yoga Poses To

Best Yoga Poses To: Best Yoga Poses To Cure Diabetes At Home

free gift card generator

free gift card generator: free gift card generator

Aladin wonder lamp

Aladin wonder lamp: Aladin wonder lamp

Food Trailers For Sale

Food Trailers For Sale: Food Trailers For Sale

Food Trailers For Sale

Food Trailers For Sale: Food Trailers For Sale

Drop Money

Drop Money: Drop Money

7 Wege um deinen

7 Wege um deinen: 7 Wege um deinen Blog 2019 erfolgreich zu machen

FREE SEO RANKING INFORMATION

FREE SEO RANKING INFORMATION: FREE SEO RANKING INFORMATION AND TOOL

FREE SEO RANKING INFORMATION

FREE SEO RANKING INFORMATION: FREE SEO RANKING INFORMATION AND TOOL

Police Monster Truck

Police Monster Truck: Police Monster Truck

Best Social Exchange Community

Best Social Exchange Community: Best Social Exchange Community in the world. Improve your likes and shares on all Social networks

Best Social Exchange Community

Best Social Exchange Community: Best Social Exchange Community in the world. Improve your likes and shares on all Social networks

Wie erstellt man einen

Wie erstellt man einen: Wie erstellt man einen Blog 2019

Wie erstellt man einen

Wie erstellt man einen: Wie erstellt man einen Blog 2019

FREE URL SHORTING AND

FREE URL SHORTING AND: FREE URL SHORTING AND TRACKING TOOL

Are Obese People More

Are Obese People More: Are Obese People More Prone To Thyroid Disorders?

FREE UNLIMITED PHOTO HOSTING

FREE UNLIMITED PHOTO HOSTING: FREE UNLIMITED PHOTO HOSTING

XO Car Auction Live

XO Car Auction Live: XO Car Auction Live 300USD cars xsiv LV Auctions

free gift code generator

free gift code generator: free gift code generator

free gift code generator

free gift code generator: free gift code generator

HDWALLPAPERS

HDWALLPAPERS: HDWALLPAPERS.AT

HDWALLPAPERS

HDWALLPAPERS: HDWALLPAPERS.AT

Military Antiques

Military Antiques: Military Antiques

HEALTHY and FITNESS

HEALTHY and FITNESS: HEALTHY and FITNESS Get health information to stay fit, happy and healthy. DIY beauty tips for hair and skin care. Yoga poses for your mental and physical fitness and wellbeing.

Thursday, November 29, 2018

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলার খবর

বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-০তে সিরিজ জিততে চান। আর যদি দ্বিতীয় টেস্টে জেতার পরিস্থিতি না থাকে তাহলে যে কোনো মূল্যে ড্র করে ১-০তে সিরিজ জয়ের চেষ্টা করবেন। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিব জানালেন ২-০তে জিততে পারলে বাংলাদেশের জন্য স্পেশাল হবে-
প্রশ্ন : দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক নাকি রক্ষণাত্মক খেলবে?
সাকিব : আমরা অবশ্যই জেতার জন্য খেলব। অবস্থা বুঝে টেস্ট ড্র করার চিন্তা করতে পারি। তবে প্রথম লক্ষ্য জয়।
প্রশ্ন : ঢাকার উইকেট থেকে মোস্তাফিজ সহায়তা পাবেন কী?
সাকিব : বলা যায় না। ঢাকার উইকেট থেকে সকালবেলা পেস বোলাররা খানিকটা সহায়তা পান। বিশেষ করে এখন যে আবহাওয়া তাতে হালকা শীত। কিছুটা কুয়াশা থাকে। ঢাকার উইকেট সব সময় কিছুটা পেস সহায়ক হয়। সেটা আমাদের বিবেচনায় আছে।
প্রশ্ন : অনভিজ্ঞ উদ্বোধনী জুটি সম্পর্কে কী বলবেন?
সাকিব : খেলতে খেলতে এরাই একসময় অভিজ্ঞ হবে।
প্রশ্ন : খুব বেশি অভিষেক হচ্ছে কী নতুনদের?
সাকিব : যখন কাউকে অভিষেক করানো হয় তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া উচিত। ওই খেলোয়াড় যেন নিজের সক্ষমতা প্রমাণের পর্যাপ্ত সময় পায়। তারপর ব্যর্থ হলে পরিবর্তন করা উচিত। ঘনঘন পরিবর্তনের পক্ষে আমি নই। এতে ভালো কিছু হয় না। তবে দিন শেষে আমরা সবাই ম্যাচ জিততে চাই। এজন্য অনেক সময় অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
প্রশ্ন : উইকেট কেমন হবে বলে মনে হচ্ছে?
সাকিব : উইকেট দেখে সব সময় অনুমান করা যায় না। মিরপুরেও খেলা শুরু হলে তখন বোঝা যাবে। আর টেস্ট ম্যাচে প্রতিদিনই উইকেটে কিছুটা পরিবর্তন হয়। উইকেটের কথা ভেবে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে না এগিয়ে সব ধরনের চিন্তা নিয়ে মাঠে নামলেই দলের জন্য ভালো।
প্রশ্ন : আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা নিয়ে কী বলবেন?
সাকিব : নিজস্ব খেলার ধরন পরিবর্তন করা উচিত নয়। বীরেন্দর সেহওয়াগ যদি প্রথম বলে চার মারার সুযোগ পেতেন তাহলে টেস্ট, ওয়ানডে বা টি ২০ যে কোনো ফরম্যাটেই চার মারতেন। এ ধরনের প্রয়োগ থাকা জরুরি। যে ব্যাটসম্যান ওয়ানডে ও টি ২০ ক্রিকেটে প্রথম বলে চার মারার জন্য খেলে, টেস্টেও আমি তাকে কখনই বলব না ডিফেন্স করতে। আমিও বলব ওই ব্যাটসম্যান যেন প্রথম বলেই চার মারার মানিসকতা নিয়ে মাঠে নামে।
প্রশ্ন : ২০০৯ সাল ২-০তে জয় পেয়েছিলেন, ২০১৮তেও একই সমীকরণ?
সাকিব : সুযোগ আছে। সেটা পূরণ করতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই তারা আরও ভালো করার জন্য মুখিয়ে থাকবে। এখানে জিততে হলে আমাদের আরও ভালো পারফর্ম করতে হবে। আশা করি, এই চ্যালেঞ্জ নিতে পারব। এজন্য আমাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে।
প্রশ্ন : সাদমানকে নিয়ে কী বলবেন?
সাকিব : আমি যতটুকু তাকে দেখেছি তাতে টেস্টের জন্য সাদমান খুবই মানানসই।
প্রশ্ন : সিরিজ জয়ের আলাদা চাপ আছে কী?
সাকিব : অতিরিক্ত কোনো চাপ নেই। ড্রেসিংরুমে সবাইকে স্বস্তিতে দেখেছি। সবাই ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটা ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে দলের যে আত্মবিশ্বাস থাকা দরকার ঠিক ততটাই আমাদের আছে। এটা যেন পরের কয়েকদিন আমরা ধরে রাখতে পারি।
প্রশ্ন : চার স্পিনার নিয়ে খেলা কতটা রোমাঞ্চের?
সাকিব : অবশ্যই এটা রোমাঞ্চকর। আমরা যে ধরনের পার্টনারশিপে বোলিং করতে পেরেছি সেটা দারুণ ছিল। তবে স্পিনারদের কাছে সব সময় বড় স্পেল পাওয়ার লক্ষ্য থাকে। আমি আর তাইজুল ছাড়া সেটা চট্টগ্রামে কেউ করতে পারছিল না। তারপরও সবাই চেষ্টা করেছে। দেখতে ভালো লেগেছে দুই পাশ থেকেই আমরা আক্রমণাত্মক বোলিং করতে পেরেছি।
রোমাঞ্চের চেয়ে বেশি হল চ্যালেঞ্জিং। দলের চারজন স্পিনারের মধ্যে এটা খুব ভালো একটা প্রতিযোগিতা। আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে ভালো ম্যাচটাকে আরও ভালো করার।
প্রশ্ন : উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
সাকিব : শুরুটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ব্যাটিং বা বোলিং, যা-ই হোক না কেন। বোলিং হলে দায়িত্ব থাকে ব্রেকথ্র“র। আর ব্যাটিংয়ে লক্ষ্য থাকে বলটা যেন পুরনো করে দিয়ে আসতে পারে। তাহলে খেলাটা অনেক সহজ হয়। চট্টগ্রামে বোলিংয়ে সফল হয়েছি, ব্যাটিংয়ে হইনি। এ কারণে অনেকগুলো পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তন হতে থাকলে একসময় আমরা ভালো কাউকে পেয়ে যাব। সেই ভরসার জায়গা তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। ওপেনিং জুটি ভালো হলে দলে স্বস্তি ভাব চলে আসে। প্রতিদিন ১০ রানে দুই উইকেট না থাকলে তো কাজটা খুব কঠিন, মিডলঅর্ডার তো প্রতিদিন ভালো করতে পারবে না। এটাই স্বাভাবিক।
প্রশ্ন : ২-০ কতটা স্পেশাল হবে?
সাকিব : বাংলাদেশের জন্য বিশেষ কিছু হবে, যদি আমরা ২-০তে জিততে পারি। এজন্য যে ধরনের প্রস্তুতি নেয়া দরকার সেটা নিয়েছি। তবে মূল লক্ষ্য সিরিজ জেতা। আমরা ইতিবাচক থেকে সিরিজ জিততে চাই। সেটা ২-০তে।
প্রশ্ন : লেগ-স্পিনারের অভাব বোধ করছেন?
সাকিব : বোলিংয়ে যত ভ্যারিয়েশন থাকে ততই ভালো। দলে স্পিনারের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। স্পিনারদের জন্য খুব বেশি সহায়তা না থাকলেও লেগ-স্পিনাররা উইকেট নিতে পারে। ফিঙ্গার স্পিনার, অফ-স্পিনার ও রিস্ট স্পিনারদের (বাঁ-হাতি) মধ্যে একটু পার্থক্য আছে। রিস্ট স্পিনাররা রান একটু বেশি দিতে পারে, কিন্তু তারা আক্রমণাত্মক হয়। আবার উইকেট ভালো হলে ফিঙ্গার স্পিনাররা খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে না। তখন লেগ-স্পিনাররা ভালো করতে পারে।
দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ দল
সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, আরিফুল হক, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম ও লিটন দাস।

আগেরদিন আঙুলে চোট পাওয়ার পর তার খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। কাল সকালে মুশফিকুর রহিমকে ব্যাটিং অনুশীলন করতে দেখে স্বস্তি পাওয়া যায়। নেটে অনেক সময় ব্যাটিং করেছেন তিনি। কিন্তু দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, মুশফিক খেলবেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু উইকেটকিপিং করবেন না। এজন্য ব্যাকআপ উইকেটকিপার হিসেবে দলে নেয়া হয়েছে লিটন দাসকে। লিটন একাদশে ঢুকলে জায়গা হারাতে হবে মোহাম্মদ মিঠুনকে। মিঠুনও উইকেটকিটপার-ব্যাটসম্যান। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি কিপিং করেন। তাহলে কেন লিটনকে নেয়া? নির্বাচকরা টেস্ট কিপিং করানোর জন্য মিঠুনের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না।

কাল সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন, ‘মুশফিকের ব্যাকআপ হিসেবে রাখা হচ্ছে লিটনকে। যদি ব্যথাটা বাড়ে, ফোলা থাকার কারণে তার অসুবিধা হয়, তাহলে আমাদের যেন কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়। এখন পর্যন্ত যা জানি তাতে মুশফিক ভাই খেলবেন এবং কিপিংও করবেন।’ মুশফিক না খেললে লিটনকে কোথায় খেলানো হবে? সাকিব বলেন, ‘ওপেনিং কারা করবে এটা আমরা নিশ্চিত। লিটন যদি কিপিং করে ওপেন করাটা তার জন্য কঠিন হবে।’
বুধবার অনুশীলনের সময় হঠাৎ একটি লাফিয়ে ওঠা বল মুশফিকের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে লাগে। ওইদিনই তার আঙুলে এক্স-রে করানো হয়। তাতে চিড় ধরা পড়েনি। আঙুলের অবস্থা জানতে চাইলে মুশফিক কাল ঘাড় নাড়িয়ে জানিয়ে দেন ভালো। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। তিনি ব্যাটিং করেন পাঁচ বা ছয়ে। মাঝে কিছুদিন চারে ব্যাটিং করেছেন। ওই সময় অবশ্য তিনি কিপিং করেননি। মুশফিককে আরও উপরে ব্যাটিং করানো সম্পর্কে অধিনায়ক বলেন, ‘মুশফিক ভাই এখন যেখানে ব্যাট করছেন সেখানে ভালো করছেন। এখন অন্য জায়গায় সফল হবেনই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমরাও তাকে পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় দিতে চাইনি। বরং নতুন কেউ এসে ওই জায়গাগুলো পাকা করুক।’
হঠাৎ দলে ডাক পাওয়া লিটন খেলছিলেন বিসিএলে। মিঠুন দুটি টেস্ট খেলেছেন। চট্টগ্রাম টেস্টে দুই ইনিংসে ২০ ও ১৭ রান করেন তিনি।












হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গাড়িতে পেট্রলবোমা মেরে যাত্রী হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানির জন্য আগামী ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।সূত্র আরও জানায়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি করা হয়। ২০১৫ সালে রাজধানীর দারুসসালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়। যাত্রাবাড়ীতে যাত্রী হত্যা মামলাটিসহ অপর মামলাগুলো ২০১৫ সালে দায়ের করা হয়। পরের বছরের বিভিন্ন সময় এসব মামলায় আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
কুমিল্লার মামলায় জামিন শুনানি ৭ জানুয়ারি : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রল বোমা হামলায় বাসের ৮ যাত্রী দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ফের পিছিয়ে ৭ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম শামছুল আলম রোববার এ আদেশ দেন। এর আগে এ মামলায় ১১ নভেম্বর কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আবদুর রহিম শুনানির দিন রোববার ধার্য করেছিলেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানি রাষ্ট্রপক্ষের বারবার সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত তিন দফা পেছানো হয়েছে। আদালত আগামী ৭ জানুয়ারি চতুর্থ দফায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এভাবে সময়ের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন শুনানি বিলম্বিত করছে। এতে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিএনপি-জামায়াত ২০ দলীয় জোটের হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্র“য়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচ চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭ জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর ১ জন মারা যান। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।
















গত বছরের ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের তমা সেন্টার গলির কাছে ৭৯/১ নম্বর বাড়ির ৫ তলার ফ্ল্যাট থেকে মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরদিন শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী খোকন বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিম, সতিন মুক্তা ও মুক্তার ভাই আল আমিন জনিকে।
৩০ জুন করিম, মুক্তা এবং জনির নামে আদালতে চার্জিশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক আলী হোসেন। ৫ নভেম্বর চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। মুক্তা সবশেষ এ ঘটনার জন্য তার স্বামী করিম ও নিজের ভাই আল আমিন জনিকে দায়ী করলেও করিম দায়ী করেছে মুক্তা ও জনিকে। অবাক বিষয় হচ্ছে- শুরু থেকেই মামলার বাদী ও আসামিদের আইনজীবীর খরচ বহন করতে হচ্ছে অনিক এবং মুন্নাকেই।
পুলিশও তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে করিমসহ ওই তিনজনই জড়িত। তাদের যোগসাজশেই এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগপত্রেও তাই বলা হয়েছে।
সূত্র জানায়, এ নিয়ে ৫ নভেম্বর বিচারক তার খাস কামরায় ডেকে নেন মামলার বাদী আশরাফ আলী খোকন, খোকনের বড় ভাই আমানুল্লাহ এবং করিমের দুই ছেলে মুন্না ও অনিকসহ সংশ্লিষ্টদের। এ সময় মামলার বাদী বিচারককে জানান, তাদের দুই ভাগ্নে বিচার কাজে বিঘ্ন ঘটাতে চার্জশিটের ওপর নারাজি দিয়েছে। একই উদ্দেশে একটি সিআর মামলাও করেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর চার্জশিট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন বিচারক।
এদিকে এই খুনের ঘটনা নিয়ে কারাবন্দি করিম ও মুক্তার অডিও রেকর্ড যুগান্তরের হাতে এসেছে। সেখানেও এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তারা একে অপরকে দায়ী করেছে।
অডিওতে মুক্তাকে বলতে শোনা যায়, হত্যাকাণ্ডের ৫ বছর আগে আমার সঙ্গে করিমের বিয়ে হয়। বিয়ের ৪ বছর পর করিম আমাকে গোপনে তালাক দেয়। এটি আমাকে না জানিয়ে আমার সঙ্গে মেলামেশা করতে থাকে। তালাকের ৫-৬ মাস পর করিমের বাড়ির কেয়ারটেকার মাজেদের মাধ্যমে আমি তালাকের বিষয়টি জানতে পারি। এরপর করিমের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিলে করিম জানায়, সে শামসুন্নাহারের চাপে আমাকে তালাক দিয়েছে। পরে মাজেদের এক আত্মীয় ডিবি কর্মকর্তা আনিসুর রহমনাকে সাক্ষী করে মালিবাগ থেকে হুজুর এনে সে ফের আমাকে বিয়ে করে।
মুক্তা বলেছেন, জনিকে দিয়ে করিম তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও তার ছেলে শাওনকে হত্যা করেছে। একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমাকে এবং করিমকে গালিগালাজ করা হতো। এ নিয়ে পল্টন থানায় একটি জিডিও করি। আমাকে নিয়ে করিম প্রায়ই তার স্ত্রী শামসুন্নাহারকে মারধর করত। শামসুন্নাহারও আমাদেরকে ফোনে নানাভাবে বকাঝকা করত। মুক্তা বলেন, এসব নিয়ে আমি দুই দফা আত্মহত্যার চেষ্টাও করি।
অডিও রেকর্ডে করিমের অভিযোগ, আমার ছেলেরা (অনিক এবং মুন্না) চেয়েছিল মামলাটির অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে পুরো সত্য বেরিয়ে আসুক। কিন্তু মামালার বাদী অধিকতর তদন্ত চাননি। এ কারণে অধিকতর তদন্ত হয়নি। পলাতক আসামিরা খুবই প্রভাবশালী। কাজের বুয়াকে আসামি করা হলেই তাদের নাম বেরিয়ে যেত। তিনি জানান, মুক্তা এবং মুক্তার ভাই জনির যোগসাজশে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
জানতে চাইলে মামলার বাদী আশরাফ আলী খোকন বলেন, এখন দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন এ ডাবল মার্ডারের বিচার কাজ শেষ হয় সেটাই একমাত্র কামনা। জানতে চাইলে মুন্না ও অনিক যুগান্তরকে বলেন, আমরা আমাদের মা এবং ভাইকে হারিয়েছি। যে বা যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।
অপরদিকে বাবা আব্দুল করিম জেলে থেকে নিজের দোষ অস্বীকার করে বলছেন, তোরা (অনিক ও মুন্না) ছাড়া আমার কেউ নেই। আমার জন্য যা কিছু করার তোরা তা কর। আমরা কোন দিকে যাব সেটির বুঝতে পারছি না।

top 10 Waz